উইলিয়াম পোর্টারফিল্ড

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
উইলিয়াম পোর্টারফিল্ড
Porterfield, 2013 (3).jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম উইলিয়াম থমাস স্টুয়ার্ট পোর্টারফিল্ড
জন্ম (১৯৮৪-০৯-০৬) ৬ সেপ্টেম্বর ১৯৮৪ (বয়স ৩৩)
ডোনেমানা, উত্তর আয়ারল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরন বামহাতি
বোলিংয়ের ধরন ডানহাতি অফ ব্রেক
ভূমিকা উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানঅধিনাযক
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ১৪)
৫ আগস্ট ২০০৬ বনাম স্কটল্যান্ড
শেষ ওডিআই ১৫ মার্চ ২০১৫ বনাম পাকিস্তান
ওডিআই শার্ট নং
টি২০আই অভিষেক
(ক্যাপ )
২ আগস্ট ২০০৮ বনাম স্কটল্যান্ড
শেষ টি২০আই ২১ মার্চ ২০১৪ বনাম নেদারল্যান্ডস
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছর দল
২০০৬-২০০৯ আয়ারল্যান্ড
২০০৮-২০১০ গ্লুচেস্টারশায়ার
২০০৭ এমসিসি
২০১০-বর্তমান ওয়ারউইকশায়ার (দল নং ১০)
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা ওডিআই টি২০আই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ৭৯ ৩৭ ১০৭ ১৮৫
রানের সংখ্যা ২,৪১২ ৬২৭ ৫,১৮৪ ৫,৭৮৫
ব্যাটিং গড় ৩২.১৬ ১৯.৫৯ ৩০.৬৭ ৩২.৫৩
১০০/৫০ ৭/১১ ০/১ ৭/২৯ ৮/৩৪
সর্বোচ্চ রান ১১২* ৫৬* ১৭৫ ১১২*
বল করেছে ১০৮
উইকেট
বোলিং গড় ৬৯.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট - - -
সেরা বোলিং ১/২৯
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৪০/– ১৫/– ১১৬/– ৯১/–
উৎস: ক্রিকেটআর্কাইভ, ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪

উইলিয়াম থমাস স্টুয়ার্ট পোর্টারফিল্ড (ইংরেজি: William Porterfield; জন্ম: ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৪) আইরিশ ক্রিকেটার হিসেবে উত্তর আয়ারল্যান্ডের ডোনেমানা এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। বামহাতি ব্যাটসম্যান পোর্টারফিল্ড আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে খেলছেন। এছাড়াও তিনি আয়ারল্যান্ড দলের বর্তমান অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০৩ সাল থেকে অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেলার পর ২০০৬ সাল থেকে আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট দলে নিয়মিতভাবে অংশ নিচ্ছেন। আয়ারল্যান্ডের অনূর্ধ্ব-১৩ দল থেকে শুরু করে সকল স্তরের ক্রিকেটে তিনি অধিনায়কত্ব করেছেন তিনি।[১]

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

৩১ জানুয়ারি, ২০০৭ তারিখে পোর্টারফিল্ড তার অভিষেক ওডিআই সেঞ্চুরি করেন। বারমুদা দলের বিপক্ষে তার অপরাজিত ১১২ রানের কল্যাণে তার দল বিজয় লাভ করে। পরবর্তী খেলায়ও তিনি অপরাজিত ১০৪ রান করেন কেনিয়া দলের বিরুদ্ধে।

২০০৭ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বে তিনি বাংলাদেশের বিপক্ষে ৮৫ রান সংগ্রহ করেন। এরফলে তার দল জয়লাভ করে ও তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।[২] ২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের খেলায় নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে অর্ধ-শতক করেন। ৯৮ বলে করা ৬৮ রানের ফলে তার দল নেদারল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয় পায়।

২১ মার্চ, ২০১৪ তারিখে সিলেটে অনুষ্ঠিত ২০১৪ সালের আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতায় গ্রুপ-পর্বে প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তিনি ৪৭ রান করে দলকে ১৮৯ রানের সম্মানজনক স্কোর দাঁড় করালেও দল জয়লাভ করাতে সক্ষম হয়নি ও সুপার টেন পর্বে প্রবেশের পূর্বেই প্রতিযোগিতা থেকে দলকে বিদায় নিতে হয়।[৩]

অধিনায়কত্ব[সম্পাদনা]

২০০৮ মৌসুমে পোর্টারফিল্ড আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট দলে অধিনায়ক হিসেবে নিযুক্ত হন। তিনি সাবেক অধিনায়ক ট্রেন্ট জনস্টনের স্থলাভিষিক্ত হন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি ট্রেন্টের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। তিনি তরুণ খেলোয়াড়দেরকে কাছে টেনে নিয়েছেন, তাদের ভাল-মন্দ পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং তিনি খেলাকে কিভাবে উপভোগ করতে হয় - তার উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন, মাঠে কিংবা মাঠের বাইরে কিভাবে প্রস্তুতি নিতে হয় তা শিখিয়েছেন। হয়তো আমি তরুণ কিন্তু অধিনায়ক হিসেবে আমার অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং আমি তা ভালোবাসি। আমি ট্রেন্টের অধীনে সহ-অধিনায়কত্ব করেছি। তিনি মাঠের বাইরে চলে গেলে আমি সে স্থান পূরণ করতে চেষ্টা করেছি।[৪] আয়ারল্যান্ডের আনুষ্ঠানিকভাবে অধিনায়কত্ব থাকা স্বত্ত্বেও তিনি কাউন্টিতে খেলার জন্য চলে যান। জুলাই, ২০০৮ সালে স্কটল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিকে তিনি অনুপস্থিত ছিলেন। মূলতঃ গ্লুচেস্টারশায়ার দলে স্থায়ী আসন গড়তেই তাকে এ ঝুঁকি নিতে হয়েছিল। তিনি বলেন, নিশ্চিতভাবেই তা ছিল আমার জন্য সবচেয়ে কঠিনতম মুহূর্ত ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ ...... আমি মনে করি, আমার খেলোয়াড়ী জীবনের উন্নতির লক্ষ্যেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।[৫]

ক্রিকেট বিশ্বকাপ[সম্পাদনা]

ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড কর্তৃপক্ষ ৫ জানুয়ারি, ২০১৫ তারিখে ২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের জন্য তাকে অধিনায়কের দায়িত্ব দিয়ে ১৫-সদস্যের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে।[৬] ১৫ মার্চ, ২০১৫ তারিখে অ্যাডিলেড ওভালে অনুষ্ঠিত গ্রুপ-পর্বে পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ খেলায় অংশগ্রহণ করে তার দল। খেলায় তিনি ১৩১ বলে ১০৭ রান সংগ্রহ করেন। কিন্তু তার দল ৭ উইকেটে পরাজিত হওয়ায় কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয়।[৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Barry Chambers (৩০ আগস্ট ২০০৭)। "Porterfield gets deal with Gloucestershire"। Irish Cricket Union।  Retrieved 30 August 2008
  2. "ICC World Cup – 42nd match, Super Eights Bangladesh v Ireland"। ESPNcricinfo। ১৫ এপ্রিল ২০০৭।  Retrieved on 7 March 2008.
  3. Netherlands stun rivals to qualify, espncricinfo, retrieved: 17 April, 2014
  4. "Porterfield takes charge". BBC Online. 23 April 2008. Retrieved 30 May 2008.
  5. Cricinfo staff (24 June 2008). "Porterfield and O'Brien out for Ireland". Cricinfo. Retrieved 25 June 2008.
  6. ""World Cup 2015: Ireland name unchanged squad""। BBC Sport। সংগৃহীত ২২ জানুয়ারি ২০১৫ 
  7. "ICC Cricket World Cup, 42nd Match, Pool B: Ireland v Pakistan at Adelaide, Mar 15, 2015"। ESPNcricinfo। সংগৃহীত ১৪ মার্চ ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]