চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ও ইনস্টিটিউটসমূহ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
বিশ্ববিদ্যালয় প্রবেশদ্বার

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ৭টি অনুষদে ৪২টি বিভাগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ এবং অন্তর্গত বিভাগসমূহ হলো:[১]

অনুষদসমূহ[সম্পাদনা]

কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ[সম্পাদনা]

Faculty of Arts and Humanities at University of Chittagong (15).jpg
ড. আবদুল করিম ভবন
ধরন স্বায়ত্তশাসিত
স্থাপিত ১৯৬৬ (১৯৬৬)
পেরেন্ট প্রতিষ্ঠান
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
অ্যাকাডেমিক কর্মকর্তা
১৪৭
ঠিকানা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের পেছনে পাহাড়ের ঝরনা
  • আরবি বিভাগ: এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ১৪ জন।
  • ইংরেজি বিভাগ: ইংরেজি ভাষাসাহিত্য বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর শ্রেণীর পাঠদানের উদ্দেশ্যে ১৯৬৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয় সূচনালগ্ন থেকে বিভাগটি কার্যক্রম শুরু করে। এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ১৯ জন।
  • ইতিহাস বিভাগ: এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ১৯ জন।
  • ইসলামিক ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ: এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ১৮ জন।
  • ইসলামিক স্টাডিজ: ২০০৪ সাল থেকে কলা অনুষদের অধীনে এই বিভাগের কার্যক্রম শুরু করে। এই বিভাগের প্রথম চেয়ারম্যান ছিলেন ড.এ এইচ এম খতিব। পূর্বে বিভাগটি আরবি বিভাগের সঙ্গে একত্রিত ছিলো। এই বিভাগের বর্তমান চেয়ারম্যান ডক্টর আহমদ আলী। এই বিভাগের সদস্য বর্তমানে ১২ জন এবং প্রায় ৫০০ জন ছাত্রছাত্রী অধ্যয়নরত রয়েছে।
  • দর্শন বিভাগ: এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ১৮ জন।
  • নাট্যকলা বিভাগ: ১৯৯৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর নাট্যকলা ও সঙ্গীত বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। এর পূর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলা অনুষদের অধীনে নাট্যকলা বিষয় ১৯৮৯ সালে, সঙ্গীত বিষয় ১৯৯৩ শিক্ষাবর্ষে সাবসিডিয়ারি কোর্স এবং ১৯৯৩-৯৪ শিক্ষাবর্ষ হতে নাট্যকলা ও সঙ্গীত বিষয়ে এমএ (প্রিলিমিনারী) কোর্স চালু হয়। ১৯৯৫-৯৬ শিক্ষাবর্ষ হতে সঙ্গীত বিষয়ে এবং ১৯৯৭-৯৮ শিক্ষাবর্ষ হতে নাট্যকলা বিষয়ে এম. ফিল. কোর্স চালু হয়। বর্তমানে সঙ্গীত বিষয়ে পিএইচ. ডি. কোর্স চালু আছে। ১৯৯৭-৯৮ শিক্ষাবর্ষ হতে ৪ বছর মেয়াদী বি. এ. অনার্স কোর্স চালু হয়। ১৯৯৮ সালে নাট-মন্ডল নামে বিভাগের একটি মিলনায়তন প্রতিষ্ঠিত হয়। এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ৩ জন।
  • পালি বিভাগ: এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ৯ জন।
  • ফার্সি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ: এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ১ জন ।
  • বাংলা বিভাগ: বাংলা ভাষা, সাহিত্য এবং সংস্কৃতি বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর শ্রেণীর পাঠদানের উদ্দেশ্যে ১৯৬৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয় সূচনালগ্ন থেকে বিভাগটি কার্যক্রম শুরু করে। এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ১৯ জন।
  • আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট(আই এম এল): চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে "আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট" এর যাত্রা শুরু হয় ২০০৮ সালে বিভিন্ন ভাষার উপর সল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী ভাষাকোর্সের মাধ্যমে। এর অধীনে ক) বাংলা (শুধুমাত্র বিদেশীদের জন্য), খ) ইংরেজি, গ) ফরাসী, ঘ) জার্মান, ঙ) জাপানী, চ) চাইনিজ, ছ) আরবি ও জ) ফারসি ভাষার উপর এক বছর মেয়াদী সার্টিফিকেট কোর্স ও এক বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ডিগ্রী প্রদান করা হয়। ২০১২-১৩ সেশন থেকে "আই এম এল" এর অধীনে "ভাষা ও ভাষাবিজ্ঞান (Language & Linguistics)" বিষয়ে অনার্স প্রোগ্রাম চালু করা হয়। এছাড়াও "ইংরেজি ভাষা শিক্ষাদান (English Language Teaching)" বিষয়ে অতিরিক্ত মাস্টার্স প্রোগ্রাম চালু করা আছে।

উক্ত বছরে "English Language Teaching" এ মাস্টার্স প্রোগ্রাম চালু করা হয় এবং ২০১২-১৩ সেশন থেকে "Language & Linguistics" এ ইংরেজি ভার্শনে অনার্স প্রোগ্রাম চালু করা হয়।

  • সঙ্গীত বিভাগ: এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ১ জন।
  • সংস্কৃত বিভাগ: এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ৪ জন।

অর্ন্তগত ইনস্টিটিউটসমূহ[সম্পাদনা]

অর্ন্তগত গবেষণা কেন্দ্রসমূহ[সম্পাদনা]

  • নজরুল গবেষণা কেন্দ্র

জীব বিজ্ঞান অনুষদ[সম্পাদনা]

Faculty of Biological Science at University of Chittagong (03).jpg
জীব বিজ্ঞান অনুষদ ভবন
ধরন স্বায়ত্তশাসিত
পেরেন্ট প্রতিষ্ঠান
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
অ্যাকাডেমিক কর্মকর্তা
১০৩
ঠিকানা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
জীব বিজ্ঞান অনুষদের একটি ব্লক

জীব বিজ্ঞান সম্পর্কিত বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর শ্রেণীর পাঠদানের উদ্দেশ্যে এই অনুষদের কার্যক্রম শুরু হয়। এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ১০৩ জন।

উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ
এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ২৪ জন।
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ
এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ১৬ জন।
প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ
এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ২৩ জন।
প্রাণিবিদ্যা বিভাগ
প্রাণিবিদ্যা বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর শ্রেণীর পাঠদানের উদ্দেশ্যে ডক্টর শফিক হায়দার চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৯৭৩ সালে অনুষদের কার্যক্রম শুরু হয়। বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের তৃতীয় তলায় পশ্চিম দিকে এই বিভাগের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। প্রাণিবিদ্যা বিভাগের বর্তমান চতুর্দশ সভাপতি ডক্টর মোহাম্মদ ইসমাইল মিয়া।[২] বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ২৪ জন।
গবেষণা এবং অধ্যয়নের সহায়তায় এই বিভাগের নিজস্ব একটি সেমিনার গ্রন্থাগার রয়েছে, যেখানে ৪ হাজার বই এবং ৩৮০ বিজ্ঞান পত্রিকা ও সাময়িকীর সংকলন রয়েছে। এছাড়াও এখানে একটি প্রাণিবিদ্যা জুদুঘর রয়েছে। ১৯৭৩ সালে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের পাঠক্রমের সমর্থনে একটি সহায়ক প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়। জাদুঘরে প্রায় ৫৪০টি নমুনা সংরক্ষিত রয়েছে। এর মধ্যে প্রাণীর সংখ্যা ৫৭টি এবং ফরমালিন (ভেজা সংরক্ষিত) নমুনার সংখ্যা ৪৮৫ টি।[৩]
ফার্মেসী বিভাগ
এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ৮ জন।
ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগ
এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ১৯ জন।[৪] বিভাগটি প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৯৬ সালে। বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম ভৌগলিক শিক্ষা এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। এই বিভাগে ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যায় বিএসসি, এমএসসি, এমফিল এবং পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ রয়েছে। নগর উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় রিমোট সেন্সিং এবং জিআইএস এর ব্যবহার, দূর্যোগ, ভূমি ব্যবহার, স্বাস্থ্য ভূগোল, পানি সম্পদ ইত্যাদি সহ আরও অনেক বিষয়ে গবেষণা হচ্ছে বর্তমানে বিভাগটিতে। বিভাগের বর্তমান চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. মো: ইদ্রিস আলম। [৫]
মনোবিজ্ঞান বিভাগ
এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ১১ জন।
মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগ
এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ১৯ জন।
মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ
এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ১৬ জন।

ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ[সম্পাদনা]

Faculty of Business Administration at University of Chittagong (02).jpg
ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ভবন
ধরন স্বায়ত্তশাসিত
পেরেন্ট প্রতিষ্ঠান
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
ডীন আ.ফ.ম আওরঙ্গজেব
অ্যাকাডেমিক কর্মকর্তা
১৩০
ঠিকানা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ

বাণিজ্য বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর শ্রেণীর পাঠদানের উদ্দেশ্যে ১৯৭০ সালে থেকে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের কার্যক্রম শুরু হয়। এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ১৩০ জন। এবং বর্তমান ডীন ডক্টর জাহাঙ্গীর আলম।

  • একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ: এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ৩২ জন।
  • ফাইন্যান্স বিভাগ: এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ২৬ জন।
  • ব্যুরো অব বিজনেস রিসার্স বিভাগ: এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ২ জন।
  • ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগ: যুগের চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে দেশে ব্যাংক ও বীমা খাতে দক্ষ মানবশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২০১২ সালে ব্যাংকিং এ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগ তাদের পথচলা শুরু করে৷ বর্তমানে এই বিভাগের প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন ড. সুলতান আহমেদ। এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ৪ জন।
  • মার্কেটিং বিভাগ: এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ৩২ জন।
  • ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ: এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ২৯ জন।
  • সেন্টার ফর বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন: এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ১ জন।
  • হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগ: ব্যবসায় ও শিল্প খাতের চাহিদা পূরনের লক্ষ্যে দেশে প্রথমবারের মত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১২ সালে হিউমেন রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগ খোলা হয়৷ বর্তমানে এই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন আ.ফ.ম আওরঙ্গজেব।এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ৪ জন।

ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ[সম্পাদনা]

Department of Computer Science and Engineering at University of Chittagong (10).jpg
ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ ভবন
ধরন স্বায়ত্তশাসিত
স্থাপিত ২০০১ (২০০১)
পেরেন্ট প্রতিষ্ঠান
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
ঠিকানা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ

বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এবং গ্রন্থাগারের মাঝখানে ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ অবস্থিত। এই অনুষদের বর্তমান অনুষদ সদস্য ৩৩ জন।[৬]

কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ
কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং প্রকৌশল বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পাঠদানের উদ্দেশ্যে ২০০১ সালে এই বিভাগের কার্যক্রম শুরু করে। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে বিভাগটি কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগ নামে চালু হলেও পরবর্তীতে বর্তমান নামে পরিবর্তন করা হয়। ২০০৪ সাল পর্যন্ত নিজস্ব ভবন না থাকায় বিজ্ঞান এবং ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ভবনে এই বিভাগের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।[৭] পরবর্তীকালে ২০০৪-২০০৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে বর্তমান ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ ভবনে এই বিভাগের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ২৪ জন[৬] এবং আসন সংখ্যা৭০।: ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ
ফলিত পদার্থবিদ্যা, ইলেকট্রনিক্স এবং যোগাযোগ প্রকৌশল বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পাঠদানের উদ্দেশ্যে এই বিভাগটি কার্যক্রম শুরু করে।২০১৭ সালে এই বিভাগের নাম পরিবর্তন করে ইলেকট্রিকাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং রাখা হয়। এই বিভাগের অনুষদ সদস্য বর্তমানে ২২ জন।যোগাযোগ ও ইলেক্ট্রনিক্সের বিশেষ প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে ২০০১-২০০২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ে মাত্র ১৩ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ফলিত পদার্থবিদ্যা ও ইলেকট্রনিক্স বিভাগের সূচনা হয়। দেশে ইলেকট্রনিক্স ও টেলিকমিউনিকেশন শিক্ষার দ্রুত উন্নয়নের জন্য এই বিভাগে ধীরে-ধীরে বিভিন্ন আধুনিক কোর্সসমূহ চালু করা হয়। ২০০৬ সালে এই বিভাগের নাম পরিবর্তন করে "ফলিত পদার্থবিজ্ঞান, ইলেক্ট্রনিক্স ও যোগাযোগ প্রকৌশল" রাখা হয়। ২০১২ সালে এই বিভাগে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু হয়। বর্তমান আসন সংখ্যা ৫০ টি।
অর্ন্তগত ইনস্টিটিউটঃ
  • চট্টগ্রাম ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলোজি(চিয়েট)

আইন অনুষদ[সম্পাদনা]

আইন অনুষদ
  • আইন বিভাগ

বিজ্ঞান অনুষদ[সম্পাদনা]

  • পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ - এই বিভাগটি ১৯৬৬ সালে খোলা হয়। ভৌত বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে বিভাগটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আসন সংখ্যা: ১২০টি।
  • রসায়ন বিভাগ - ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠা লগ্নে এই বিভাগটি চালু করা হয়।
  • গণিত বিভাগ - ১৯৬৮ সালের পহেলা নভেম্বর বিভাগটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পদার্থবিজ্ঞানী, গণিতবিদ,জৌতির্বিজ্ঞানী ও বিশ্বতত্ত্ববিদ জামাল নজরুল ইসলাম এই বিভাগের সাবেক সভাপতি ছিলেন (১৯৮৬-১৯৮৮)। আসন সংখ্যা ১২০ টি।
  • পরিসংখ্যান বিভাগ

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ[সম্পাদনা]

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ
Faculty of Social Sciences at University of Chittagong (18).jpg
ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভবন
ধরন স্বায়ত্তশাসিত
পেরেন্ট প্রতিষ্ঠান
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
অ্যাকাডেমিক কর্মকর্তা
১১৩
অবস্থান চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
শিক্ষাঙ্গন শহুরে

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভূক্ত একটি অন্যতম অনুষদ। এটি চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত। এই অনুষদে বর্তমানে নয়টি বিভাগের[৮] অধীনে বর্তমানে ১৩১ জন অনুষদ সদস্য রয়েছেন।[৯] অর্ন্তগত সর্বমোট ৭৫৮টি আসনে রয়েছে, যার মধ্যে মানবিক শাখার ৩২৩, বিজ্ঞান শাখা ২৬২ এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখার জন্য ১৭৩টি আসন নির্ধারিত রয়েছে।[১০][১১]

ভবন[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের উত্তর দিকে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের বর্তমান ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভবন অবস্থিত। ৬ তলা বিশিষ্ট এই ভবনটি পরিকল্পিতভাবে তৈরি; যার প্রতিটি তলায় সতন্ত্রভাবে বিভিন্ন বিভাগের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। এখানে সিঁড়ির পাশাপাশি লিফটের ব্যবস্থা রয়েছে।

বিভাগসমূহ[সম্পাদনা]

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ঝুপড়ি
বিভাগসমূহ সদস্য আসন সংখ্যা
লোক প্রশাসন বিভাগ ২০ ১৫০
রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ ২৫ ১৫০
অর্থনীতি বিভাগ ২৮ ১৫০
সমাজতত্ত্ব বিভাগ ২৮ ১৭০
নৃবিজ্ঞান বিভাগ ১০ ৭০
যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ ১৭ ৭০
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ ০৭ ৬০
সোশ্যাল সায়েন্স রিসার্চ ইনস্টিটিউট ০১
সেন্টার ফর এশিয়ান স্টাডিজ ০১
পুলিশ সায়েন্স ও ক্রিমিনোলোজি বিভাগ
উন্নয়ন গবেষণা বিভাগ
লোক প্রশাসন বিভাগ

লোক প্রশাসন বিভাগ সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের প্রথম তলায় অবস্থিত। বর্তমানে এই বিভাগে শিক্ষক রয়েছেন ২০ জন এবং আসন সংখ্যা ১৫০টি।

রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ

রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত। বর্তমানে এই বিভাগে শিক্ষক রয়েছেন ২৫ জন এবং আসন সংখ্যা ১৫০টি।

অর্থনীতি বিভাগ

অর্থনীতি বিভাগ সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত। অনুষদ সদস্য ২৮ জন এবং আসন সংখ্যা ১৫০টি।

সমাজতত্ত্ব বিভাগ

আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনেস্কোর সহযোগিতায় প্রফেসর পিয়ের ব্যাসানেত ১৯৫৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ খোলেন। তারই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৬৯ সালে প্রফেসর ড. আর আই চৌধুরীর হাত ধরে "সমাজতত্ত্ব" বিভাগ প্রতিষ্ঠা ও কার্যক্রম শুরু করে। এর পর থেকেই সমাজ ও যুগের সাথে সামঞ্জস্য রেখে, চাহিদা অনুযায়ী নতুন নতুন কোর্স অন্তর্ভূক্ত করা হচ্ছে। চ্ট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজতত্ত্ব বিভাগ প্রতিষ্ঠার পর প্রথম দুই বছর শুধু এম.এ ডিগ্রি চালু ছিল। পরবর্তীতে বি.এ. (সম্মান) এবং কিছুকাল পরে বি.এস.এস (সম্মান) প্রোগ্রাম একাডেমিক কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়। বর্তমানে অত্র বিভাগে বি.এস.এস এবং এম.এস.এস প্রোগ্রামের পাশাপাশি এম.ফিল ও পি.এইচ.ডি. প্রোগ্রাম চালু আছে। বর্তমানে সমাজতত্ত্ব বিভাগে ২৮ জন সদস্য রয়েছে। তারমধ্যে ৮ জন অধ্যাপক, ৩ জন সহযোগী অধ্যাপক, ৮ জন সহকারী অধ্যাপক ও ৯ জন প্রভাষক রয়েছেন। সমাজতত্ত্ব বিভাগ সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের চতুর্থ তলায় অবস্থিত। এ বিভাগে রয়েছে আলাদাভাবে টিচার্স এরিয়া, আলাদা ক্লাস রুস, আধুনিক সুবিধা সম্বলিত কম্পিউটার ল্যাব, আলাদা কনফারেন্স রুম ও একটি সেমিনার লাইব্রেরি।

নৃবিজ্ঞান বিভাগ

নৃবিজ্ঞান বিভাগ সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের চতুর্থ তলায় অবস্থিত। অনুষদ সদস্য ১০ জন এবং আসন সংখ্যা ৭০টি।

যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ

১৯৯৪ সালের ১লা ডিসেম্বর কলা অনুষদের অধীনে সাংবাদিকতা বিভাগ নামে ২ জন শিক্ষক ও ২৩ জন শিক্ষার্থী নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। সে সময়ে কলা ভবনে এর সকল কার্যক্রম পরিচালিত হত। পরবর্তীতে ২০০৩ সালে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ। এরপর এর অধীনে আন্তঃ ব্যক্তিক যোগাযোগ, গণযোগাযোগ, সাংগঠনিক যোগাযোগ, রাজনৈতিক যোগাযোগ, উন্নয়ন যোগাযোগ ইত্যাদি বিষয়েও অধ্যয়ন শুরু হয়। জানুয়ারি ৩১, ২০০৯ সালে বিভাগটি সমাজবিজ্ঞান অনুষদের অধীনে নতুনরূপে কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে।[১২] বর্তমানে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভবনের ৫ম তলায় এই বিভাগের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বর্তমানে বিভাগের শিক্ষক রয়েছেন ১৭ জন এবং আসন সংখ্যা ৭০টি।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের ষষ্ঠ তলায় অবস্থিত। বর্তমানে এই বিভাগে শিক্ষক রয়েছেন ৭ জন এবং আসন সংখ্যা ৬০টি।

সোশ্যাল সায়েন্স রিসার্চ ইনস্টিটিউট

বর্তমানে এই বিভাগে ১ জন শিক্ষক রয়েছেন।

সেন্টার ফর এশিয়ান স্টাডিজ

বর্তমানে এই বিভাগে ১ জন শিক্ষক রয়েছেন।

ইনস্টিটিউটসমূহ[সম্পাদনা]

  • ইনস্টিটিউট অব এডুকেশান, রিসার্স এ্যন্ড ট্রেনিং
  • চারুকলা ইনস্টিটিউট[১৩]
  • আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট[১৪]: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট বিভিন্ন ভাষা-শিক্ষা বিষয়ে একবছর মেয়াদী শিক্ষা প্রদান করে থাকে। এ ইনস্টিটিউট সার্টিফিকেট কোর্স এবং ডিপ্লোমা কোর্স পরিচালনা করে থাকে। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৮ সালে; যার কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে কলা বিভাগ। বর্তমানে এই ইনস্টিটিউটে ১৩ জন পূর্নকালীন এবং ৭ জন খণ্ডকালীন শিক্ষক রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের লুথার কলেজের শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক ডেবোরা লি নরল্যান্ড উক্ত ইনস্টিটিউটের পাঠক্রম এবং পাঠ্যসূচী মানোন্নয়ন এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ বিষয়ে কাজ করেছেন। বর্তমানে এখানে বাংলা, ইংরেজি, ফরাসী, জার্মান, জাপানি, আরবি, ফার্সি এবং চাইনিজ ভাষার কোর্সসমূহ চালু রয়েছে।
  • ইনস্টিটিউট অব ফরেষ্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস[১৫]
  • ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস এন্ড ফিশারিশ
  • সোশ্যাল সায়েন্স রিসার্চ ইনস্টিটিউট
  • চট্টগ্রাম ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলোজি(চিয়েট)

গ্যালারি[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "University of Chittagong at a Glance"cu.ac.bd (ইংরেজি ভাষায়)। চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ১১, ২০১৫ 
  2. "প্রাণিবিদ্যা বিভাগ সম্পর্কে"www.zool.cu.ac.bd। zool.cu.ac.bd। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ১, ২০১৬ 
  3. "চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জাদুঘর"rongmohol.com। রঙমহল.কম। সংগ্রহের তারিখ মে ২১, ২০১৬ 
  4. "Welcome To GES"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৩-২৭ 
  5. "Welcome To Geography and Environmental Studies || Chittagong University."। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৩-২৭ 
  6. "কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ"cu.ac.bd। cu.ac.bd। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ১, ২০১৬ 
  7. "কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ"www.cu.ac.bd। cu.ac.bd। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ১, ২০১৬ 
  8. অনুষদসমূহ
  9. "The Faculty of SOCIAL SCIENCE"cu.ac.bd (ইংরেজি ভাষায়)। চট্টগ্রাম: চবি। ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ১৫, ২০১৫ 
  10. "সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ" (PDF)cu.ac.bd। ডিন, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ। ০৫ নভেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ১৫, ২০১৫  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  11. "বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আসনসংখ্যা"দৈনিক সংগ্রাম। ৩১ জুলাই ২০১০। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ১৫, ২০১৫ 
  12. "বিভাগের কথা"cajcu.com। চট্টগ্রাম: cajcu। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ১৩, ২০১৫ 
  13. "University of Chittagong"cu.ac.bd 
  14. "University of Chittagong"cu.ac.bd 
  15. http://www.ifescu.com Institute of Forestry and Environmental Sciences

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]